কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৭

ধাবমান ঘূর্ণি অথবা একটা পায়রা

ধাবমান ঘূর্ণি অথবা একটা পায়রা



ছুটে চলে অবিরাম যাযাবর বিহঙ্গ
একাকী; যদিবা ডানার শ্বেত পালকে
কৃষ্ণ-বিবর তো আছেই।

দলছুট হতে হয়; অবারিত সুযোগের মাঝেও
ক্লান্তি ছুঁতে পারে না ওকে
ছুঁটে চলে অবিরাম; কাল-বোশেখী
হেথায় নীরবে অশ্রু ঝরায়।

বিস্তীর্ণ সবুজের কোলাহল তো রয়েছে
আছে নীলের অবারিত বিস্তার;
নেই বসন্তের পাগলা হাওয়া
তবু, ছুঁটে চলা অবিরাম।

অবাক বিষ্ময়! ধাবমান পায়রার গতিতে
চমকিত! এ গতি কেন নেই আমার?
দলছুট যদিবা, কোথায় হারায় গতি
এমন গতির উৎস কি, কোথায়?

খুঁজে ফিরি আনমনে
একা; দূর দিগন্তে-
ওই শ্বেত পায়রার মতো।

১৬ ১৮৫৩ এপ্রিল ২০১৭
ইস্টার্ন প্লাজা, ঢাকা

বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭

ভেসে চলা নিরন্তর

ভেসে চলা নিরন্তর

নুরুল্লাহ মাসুম


কালো দীঘল কেশ যখন চিরহরিৎ
শুভ্র সিঁথি হয় হালকা বাদামী
চিরল পাতাগুলো আমার সামনে
চির যৌবনা ললনা; প্রেরণার উৎস।

ছুটে চলে অবিরাম সরল রেখায়
এতটাই মুগ্ধ, বুঝতে বিলম্ব হয়
ওর পথচলা আমার আমার বিপরীতে
মনটা ভেঙ্গে গেলেও- পুলকিত হই।

উন্মুক্ত গগণে তাকিয়ে ব্যস্ত যখন
ভুলে যাই পথচলা; তাকিয়ে দেখি
পিঁচঢালা পথ নয়; চলমান জলরাশি
কম্পমান বিশালদেহী রাজহংসী আমার বাহন।

ছুটেচলি অবিরাম- তুমি, আমি, আমরা
নানা বর্ণের নানা জাতের একঝাঁক পাখি
ক্ষণিকের তরে মিলেমিশে একাকার
ছুটে চলি দুর্নিবার- অনন্ত চিত্তাকর্ষক ছন্দে।


বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০১৬


শ্রাবণ বন্দনা

নুরুল্লাহ মাসুম


“শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে...”
এমনই শ্রাবণ বন্দনায় উদ্বেল আজ
নভ নীল, কালো মেঘললনাদের আনন্দে
বজ্রমেঘের ঝলকানীতে
ধরণী উত্তাল।

লাল কষ্ট লুকিয়ে সবুজের আভায়
আন্দোলিত মেহেদী পাতা
দূরে, খানিকটা নিচের
বেল গাছটাকে যেন ট্যারা চোখে দেখছে
আর হাসছে।

“আল্লাহ মেঘ দে পানি দে...”
এ মিনতি করেছিল যারা, হতবাক তারা!
জনপদের মানুষ কষ্টে আছে
তরুলতা দুলছে খুশীতে- ছোট বড় সবাই
তবে, মেহেদী গাছটা একটু বেশী।

নিচের বেল গাছটা অবাক, মেহেদী উপরে কেন!
মেহেদী গাছটার আনন্দ ওকে কষ্ট দেয়, লজ্জায় ফেলে
ওর সঙ্গী হয় আম, জাম, জামরুল, জারুলগাছ...
আর আমি, অপলক নেত্রে উপভোগ করি
শ্রাবণ রাতের অবিশ্রান্ত ধারা...

সুলতানগঞ্জ, রায়েরবাজার, ঢাকা
৩১ ০২১৭ জুলাই ২০১৬

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৫

বসন্ত বাতাসে আগুন

বসন্ত বাতাসে আগুন
নুরুল্লাহ মাসুম

মাতাল সমীরণে ধেয়ে আসা উড়ন্ত পল্লব
সারিবদ্ধ- ধরণীর দিকে ধাবমান
দারুণ শৃংখলায় যুথবদ্ধ হয়
দৃশ্যমান পল্লব-মাল্য যেন-

বসন্তের উদাসী হাওয়ায় উতলা ক্ষণ
চারিধারে মন্থন ধ্বণি- বিরহী মন
হতাশার আবরণে সুখের সন্ধান...
আহা কি সুন্দর!

সম্মিলনে পল্লব-মাল্য দৃষ্টি মেলে
মেদিনী তরে- সহসা উত্তপ্ত প্রকৃতি
দারুণ খরায় জ্বলছে অবিরাম
বিষ্ময়ে হতবাক- স্থবির ক্ষণিকের তরে!

ফিরে চলে পল্লব-মাল্য উর্ধপানে
প্রকৃতির দাহ্য বায়ুতে উচাটন মন
ট্রপোস্ফিয়ার ভেদ করে উর্ধমুখী...
রকেট গতিতে- আনন্দ হারায় হেথা।

থার্মোস্ফিয়ারের ওপারে পাবে কি নাগাল
শান্তির ছোঁয়া- ভালোবাসার ঘ্রাণ
জানে না পল্লব-মাল্য কি হবে-
শান্তির বার্তা কোথায় রবে?

ইস্টার্ন প্লাজা, ঢাকা
২২ ১৪৪০ মার্চ ২০১৫ খৃষ্টাব্দ

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

গতিহীন মনশীলতা

গতিহীন মনশীলতা
নুরুল্লাহ মাসুম

ফাগুন এলো আবারÑ রাজকীয় ঢঙে
দেশ উত্তাল; রক্তাপ্লুত রাজপথ
হিংসা-হানাহানি; বিভ্রান্ত মানবতা।
অস্থির সকলে, দিক নির্দেশনার আকাল
পথহারা নাবিক, কম্পাস তার অচল
গতি অবিরতÑ বাধাহীন।

দখিনা হাওয়া মনে দেয় দোলা
আশাÑ পথ ফিরে পাবার
তথাপি উদ্রভ্রান্তÑ নিজের কাছেই বাঁধা
ভিন্ন রূপে; গতিরোধ করে মননশীলতা।

{১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি লেখা কবিতা; 
সময় কেটে গেছে অনেক, পরিস্থিতি বদলায় নি একটুও}

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

স্থির নিরবধি ধ্রুব

স্থির নিরবধি ধ্রুব
নুরুল্লাহ মাসুম

নীল আকাশ কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করে বোঝাতে চায়
স্বীয় সপ্তস্তরেই রয়েছে অব্যক্ত বেদনার সুর
ধরাতল থেকে প্রকৃতি তা বোঝে না কখনো
তার বোঝার কোন উপায়ও নেই।

মাঘের শেষে কনককনে ঠান্ডা হাওয়া উধাও হয় যখন
প্রকৃতি দীর্ঘশ্বাস ফেলে হুতাশ করে কেবলই
কালো মেঘে ঢাকা আকাশ ওকে শান্তনা দেয়
অঝোরে নেমে আসা জলধারা ভরে নদী।

তমসাবৃত আসমান ফিরে পায় নীল চাদর
হিমালয় থেকে আসে শীতল বায়ু তীব্র গতি নিয়ে
নীল আসমানে জ্বল জ্বল করে হাসে অগণিত তারকা
ছুটে চলে নিহারিকা, ধূমকেতু, পতন হয় উল্কার
                                                তবু স্থির রয় ধ্রুব।

এবার প্রকৃতি হাসে, অসহনীয় হিমে কাতর হয়েও
পুলকিত মন তার,  ধ্রুব রয়েছে হেথা
সাত আসমানের যত কালিমা, ছায়াপথের ধূলিকণা
ধ্রুবকে স্থানচ্যুত করে নি, করতে পারে নি;
ভীষণ খুশী হয়, প্রকৃতি যখন জানতে পারে
                                                ধ্রুব স্থানচ্যুত হবার নয়।

মিরপুর, ঢাকা
২৩ ০১০২ জানুয়ারি ২০১৫

শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৫

বেলা শেষের ভাবনা

বেলা শেষের ভাবনা

নুরুল্লাহ মাসুম



হয়তো তাদেরই জন্যে
হয়েছিনু একদা হন্যে
ভেবেছিনু বলবে সবাই ধন্য
বেলা শেষে মনে হয়
            আমি অতি এক নগন্য।

জানিনে সে পথ চলা
ছিলেম কেবলই উতলা
ফলটা হয়নি সুফলা
বেলা শেষে মনে হয়
            আমি কি এতই নিঃস্ফলা!

ভাবনার অতলে হারিয়ে
ভাবছি সকলে দিল ফিরিয়ে
চলতে হবে পথচাকা ঘুরিয়ে
বেলা শেষে মনে হয়
            হয়তো আমি গেছি ফুরিয়ে।

শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৫

স্বোপার্জিত শিরোনাম-৮

স্বোপার্জিত শিরোনাম-৮

নুরুল্লাহ মাসুম

কুঞ্জছায়ায় মেলে নি আশ্রয়- ভেঙ্গেছে স্বপ্নের ঘোর
হেঁয়ালিভরে চলতে গিয়ে- হারায়েছে স্বপ্নিল ভোর
লীলাময়ের লীলা খেলা- ছেড়েছে তব বাহুডোর।

জানতে পারে নি কভু- অপরাধ ছিল কোথা
মানতে হয়েছে সবই- ছিল যত হেথাহোথা
নবপর্যায়ে ভাবতে হবে- পেতে নতুন বারতা।

রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

আশার ভুবনে

আশার ভুবনে

নুরুল্লাহ মাসুম


যন্ত্রণার শেষ দেখনি, দেখতে চাও
চলে এসো হিমালয়ের পাদদেশে- একাকী;
দেখবে, রিক্ত হস্তে ধ্যানমগ্ন ঋষি বসে হেথায়
নিরস্ত্র-নিরন্ন তবু হতাশা বিহীন এক তান্ত্রিক
নিরবধি কালোত্তীর্ণ মহাপুরুষ- মুক্ত বিহঙ্গে
অবারিত পদচারণায়- কি প্রশান্তি তার মনে!

অবগাহন কর, বুঝতে পারবে মুক্তি স্বাদ কত মধুর
না পাওয়ার কি যে প্রশান্তি- বুঝতে চেষ্টা কর।

হারাবার মাঝেও প্রশান্তির বারতা; কত মধুর
বুঝতে পারছ? উত্তর যদি না বোধক হয়
ফিরে যাও লোকালয়ে; বিরক্ত করো না তাকে।

প্রবল বর্ষণে-কর্ষণে প্রশান্তি যদিবা আছে
প্রচন্ড খরার শান্তির রূপ ভিন্ন; বুঝতে হবে
ব্যর্থতা তোমার, শুধরে নাও। দেখ, প্রকৃতির নবরূপ;
এখনও কি বোঝ নি? তবে ফিরে যাও লোকালয়ে।

বিরক্ত করোনা ধ্যানমগ্ন ঋষিকে ক্ষণিকের তরে
স্বল্পবসনা নিরন্ন ঋষিকে থাকতে দাও বিব্রতহীন
অনাহুত কামনায় তাকে ডেক না, ভেঙ্গোনা তার ধ্যান
অনাদিকাল থাকতে দাও তাকে, প্রকৃতির মাঝে
ফেরাবে যদি, ভাঙ্গবে ঈশ্বরের মন; গড়বে কে নতুন ভূবন?

বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০১৪

মেদিনীপুত্রের দুঃখগাঁথা

মেদিনীপুত্রের দুঃখগাঁথা
নুরুল্লাহ মাসুম


ঘণ বরষার পরে মেদেনীপুত্র
ভাদরের ভরা জলে ভেসে
আশিনের শিশির ভেজা ঘাসে পা
আনন্দে আত্মহারা-
খোলা আকাশে মেঘের ভেলায়
দিগ্বিদিক ছুঁটে চলে দিনমান।

যত প্রেম নীলের সাথে সাথী মেঘবালিকা
শুভ্র কাশফুল বাড়ায় সখ্যতা আরো
পাখির কলতান আর ফুরফুরে হাওয়া
গানের তাল করে মধুরতর
শরতের প্রেমকাহিনী।

মেঘবালিকার লুকোচুরি মন কাড়ে
গোধূলীর রক্তিম আভা গাঢ় করে প্রেম
ছুঁটে চলে অসীমের পানে ক্লান্তিহীন
একাকার হয় ছাড়িয়ে সীমানা
আদিগন্তে- নাচে ক্রমাগত মনময়ূরী।

সহসা ‘লুকোচুরি’ হয়ে যায় ‘গুম’
‘রক্তিম আভা’ হয় ভয়ঙ্কর ‘খুন’
থমকে যায় শরতের রথ;
ঝড় ওঠে বুকে শীতল হয় মন-
ঘনিয়ে আসে বিদায়ের পালা
বাংলামায়ের মায়াবি আঁচল ছেড়ে॥

ইস্টার্ন প্লাজা, ঢাকা
০৫ ১৪৪৬/ ১৯০০ সেপ্টেম্বর ২০১৪
২২ ভাদ্র ১৪২১

মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০১৪

বাতাসে আগুন






বাতাসে আগুন
নুরুল্লাহ মাসুম

ফিলিস্তিনের বাতাসে বারুদের গন্ধ
মরুপ্রকৃতি আগুনের হল্কায় পুড়ে ছাই
ভিটেহারা মানুষ দিগ্বিদিক ছুঁটছে
শিশুর কান্নায় ভেজে না মানবতাবাদীর মন।

সন্তানহারা মা কাঁদেন অশ্রুহীন নয়নে
বিশ্ববাসী অবাক তাকিয়ে রয়
শিশুর এমন মৃত্যু কবে দেখেছে বিশ্ব!

গোল্ডামায়ার, রবিন, বেগিন, শামির,
পেরেজ, এহুদ বারাক, ওলমার্ট
নেতানিয়াহু- ওরা অনেক।
কেবল আরাফাত আর আব্বাস-
নিজেদের সামলাতে পারে না; বিশ্ব নেই সাথে।

অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে ফাত্তাহ আর হামাস
একপথে চলতে চায়- ফিরে দেখে না ইতিহাস
ভুলে যায় সংগ্রামের কথা- ওরা মধ্যপন্থী
কেউ বা অতিশয় গোঁড়া; শিশুদের বানায় বর্ম
খুঁটির জোর মেপে দেখে না; এটা বোকামী না
অন্য কিছু বলবো- ভেবে সাহস পাই না!

একদল বলে আমার জনগণ আমার সম্পদ
অন্যদল বলে আমরা জনগণের সম্পদ
জনতার আত্মত্যাগ হবে ভবিষ্যতের জন্য;
অন্যরা ওদের মারে নিজ জনতার স্বার্থে।
বিশ্ব দেখে তামাসা, ব্যবসায়ী লাভবান অস্ত্র বেঁচে
নেতাদের চোখে ঘুম- সেখানে সব তমাসাচ্ছন্ন।

বাতাসের আগুন উত্তাপ বাড়ায় প্রকৃতির
কেউ পুড়ে যায়, কেউ বা উত্তাপ নেয়।


ইস্টার্ন প্লাজা, ঢাকা
১৫ ২০৩০ জুলাই ২০১৪

শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৪

আগমীর কথা

আগমীর কথা
নুরুল্লাহ মাসুম


স্বজনের নীড়ে নিজেকে হারিয়ে খুঁজি
হাজারো জনতার ভীড়ে
বাকী জীবনের হালখাতা খুলি
কতদিন রবো জীবন নদীর তীরে।

পতাকার রঙ বদল দেখিয়া
জনতার জয়গানের সূরে
জবনের গতি বদল ছাড়ি, ভাবি
কবে চলে যাব দূরে, বহু দূরে।

রঙিন নয়তো জীবনাচার ক্রমাগত
প্রকৃতির নয়তো রঙ বদল অহরহ
জীবন তবু বদল হয় না, রহে তথাগত
চলতেই হবে পুরানো পথে; হতে পরাহত।

দিন ফুরাবে জানি, চিরন্তন বাণী
রঙের ভেলায় ভাসতে হবে- কেবলি কল্পনায়
প্রকৃতি রইবে চিরন্তন- ফেলিয়া পেছনে জানি
চলে যাব একদিন, ফেলে সকলকে জল্পনায়।

কালশী, মিরপুর, ঢাকা
১২ ০২৩১ নভেম্বর ২০১৩ খৃষ্টাব্দ।

রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৩

সুখের সন্ধানে

সুখের সন্ধানে

নুরুল্লাহ মাসুম


স্পর্শ বিহীন সুখ পেয়েছ কি কখনো
শান্তির এমন নহর দেখেছ কি কোথাও
হাস্যকর কাল্পনিক এমন সুখ…

নীলিমায় নীল, দিগন্তে রঙিন আভা
লক্ষ যোজন ব্যবধানে ভাসমান
শ্বেতশুভ্র মেঘমালা,ভাসছে অবিরত
ধরণীর বুকে তুমি আমি এবং কেউ কেউ
বিমোহিত;আহ্লাদিত। অথচ দেখ
এদের কারো সাথে কারো স্পর্শ নেই
নেই কোন উত্তেজনার সংস্পর্শ।

আষাঢ়ের মেঘে ভিজে একাকার হয়ে
যা তুমি পেলে, শরতে না ভিজেও
কেবলি দর্শনে মেলে অপার সুখ; বর্ষণ
তোমায় স্পর্শ দিলেও,শরতের শুভ্র মেঘ
শুধুই অনুভূতির ছোঁয়া দেয় মনে
কে বলে,সুখের জন্য চাই শুধুই স্পর্শ!

ইস্টার্ন প্লাজা, ঢাকা
২৯ ১৯২৫ জুলাই ২০১৩

বহমান ধারা

বহমান ধারা

নুরুল্লাহ মাসুম

স্থবির নয় এ ভূবন, চলমান সকল যুগেই
পথ চলতে হয় তাল মিলিয়ে, নিয়ম বলে তাই
তিক্ততা রইবে সহচর, তবু ধাবমান- যেন গ্যালাক্সি।

সাহসে ভর করে যোগ্যতার মাপকাঠিতে এগুতে হয়
লঙ্কা হোক গন্তব্য;  সাথী না হোক রাবন
মানব জীবন গড়তে হবে;  চাইব না দানব জীবন।

আশা-নিরাশার দোলাচলে হারাই না যেন কভু
উত্তরের বিশাল হিমালয় হয় যেন দিক-নির্দেশক
আগামীর চেতনা হোক সদা জাগ্রত;  নৈরাশ্যবাদ নয়
লক্ষ্যভেদী হতে হবে- পথ হোক না তীর্যক সেথায়।

শঠতার শৃখল ভাঙ্গলে তুমি; গড়তে ভবিতব্য
ফিরবে শান্তি মনোজগতে;  দেখালে যে পথ তুমি।

ইস্টার্ন প্লাজা, ঢাকা
২৪ ১৬১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ খৃষ্টাব্দ